লিওনেল মেসি
বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে রোজারিওতে মেসি
বাবা হোর্হে মেসির শেষকৃত্যে অংশ নিতে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে পৌঁছেছেন লিওনেল মেসি। স্থানীয় সময় শনিবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো ও সন্তানদের নিয়ে রোজারিওতে পৌঁছান আর্জেন্টাইন তারকা।
মেসির ‘স্লো ফুটবল’ ও ফাইনালের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ!
২০২৬ বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি তার মোট অতিক্রান্ত দূরত্বের ৪৭% হেঁটে পার করেছেন. ফিফা (FIFA) ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া গণমাধ্যমগুলোর ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকার হাঁটার নিখুঁত পরিসংখ্যান সবাইকে চমকে দিয়েছে!কম দৌড়েও টুর্নামেন্টে ৩৩টি শট নিয়েছেন। সতীর্থদের জন্য সর্বোচ্চ ২১টি সুযোগ তৈরি করেছেন। হাঁটার ফাঁকেই গোল করেছেন সর্বোচ্চ ৮টি।অ্যাসিস্ট করেছেন আরও ৪টি গোল—কাতার বিশ্বকাপেও লিওনেল মেসির মোট কভার করা দূরত্বের ৫৭ শতাংশই ছিল হাঁটার গতি।
ছবি ভাইরালযাকে কোলে নিয়ে ঘুরেছেন তার সাথেই ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন মেসি
বিশ্বকাপের ফাইনাল সব সময়ই নতুন ইতিহাসের জন্ম দেয়। তবে ২০২৬ সালের আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালকে ঘিরে তৈরি হয়েছে এক ভিন্ন আবেগ। কারণ, এই ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছেন ছয়টি বিশ্বকাপ খেলা লিওনেল মেসি এবং প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নামা তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। দুই ফুটবলারের বয়সের ব্যবধান ২০ বছর, আর সেই ব্যবধানকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছে ২০০৭ সালের একটি বহুল আলোচিত ছবি।
শেষ মুহূর্তেই নাটকীয় প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনার, অবাক বিশ্ব!
ম্যাচের ৮৫ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। তবে শেষ পাঁচ মিনিটে দুই গোল করে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। লিওনেল মেসির দুটি অ্যাসিস্টে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ। ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ স্পেন।
মেসিকে থামানোর হুঙ্কার জো কোলের, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয়ের আত্মবিশ্বাস ইংল্যান্ডের
২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য মহারণ ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। মাঠের লড়াইয়ের আগেই শুরু হয়েছে কথার লড়াই। ইংল্যান্ডের সাবেক মিডফিল্ডার জো কোল লিওনেল মেসিকে থামানোর প্রত্যয় জানিয়ে বলেছেন, আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে নিষ্ক্রিয় করেই ফাইনালে উঠবে থ্রি লায়ন্সরা।
অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনার জয়, মেসির দল সেমিফাইনালে
ম্যাচের ১১৩ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ ছিল ১–১ গোলে সমতায়। এরপর আলভারাজের দুর্দান্ত গোল ম্যাচের চেহারা পাল্টে দেয়। ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা সময়ে আর্জেন্টিনার হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন লাওতারো মার্তিনেজ। আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথম গোলটি করেছিলেন ম্যাক আলিস্টার। তাতে সুইজারল্যান্ডকে আর্জেন্টিনা হারিয়েছে ৩–১ গোলে।